jilicom-এর গল্প: একটি বাংলাদেশি স্বপ্নের শুরু
২০২১ সালে যখন jilicom যাত্রা শুরু করেছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং সেক্টরটা অনেকটাই বিদেশি প্ল্যাটফর্মের দখলে ছিল। সেই সব প্ল্যাটফর্মে ইংরেজি ইন্টারফেস, জটিল পেমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের প্রতি কোনো বিশেষ মনোযোগ ছিল না। একজন খেলোয়াড় বিকাশে টাকা পাঠাতে গিয়ে বিভ্রান্ত হতেন, কাস্টমার সাপোর্টে ইংরেজিতে কথা বলতে হতো।
jilicom তৈরি হয়েছে এই শূন্যস্থান পূরণ করতে। প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলা ভাষায়, বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ গেমিং প্ল্যাটফর্ম। আজ চার বছর পরে jilicom বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অনলাইন গেমিং গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
"আমরা চেয়েছিলাম রাজশাহীর একজন কৃষক বা চট্টগ্রামের একজন নাবিকও যেন একই সহজতায় jilicom ব্যবহার করতে পারেন।"
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রেখে প্ল্যাটফর্ম তৈরি
jilicom-এর প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। বিকাশ, নগদ ও রকেটে পেমেন্ট সাপোর্ট — এটা কেবল সুবিধার জন্য নয়, এটা বাস্তবতার স্বীকৃতি। দেশের ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন, আর jilicom সেই বাস্তবতাকে সম্মান করে।
একইভাবে, পুরো ইন্টারফেস বাংলায় রাখার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিল না। এর জন্য বিশেষ প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ দরকার হয়েছে। কিন্তু jilicom মনে করে, একজন মানুষ যদি তার নিজের ভাষায় সেবা পান, তাহলে তিনি অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সেই স্বাচ্ছন্দ্যটাই jilicom দিতে চেয়েছে।
স্থানীয় দল, বৈশ্বিক মান
jilicom-এর পেছনে আছেন একটি অভিজ্ঞ দল — যারা গেমিং টেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, পেমেন্ট সিস্টেম এবং গ্রাহক সেবায় বছরের পর বছর কাজ করেছেন। দলের একটি বড় অংশ বাংলাদেশি, যারা এই বাজারটিকে ভেতর থেকে বোঝেন। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করেও jilicom নিশ্চিত করে যে সেবাটা সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জন্য কাস্টমাইজড।
প্রতিদিন হাজার হাজার লেনদেন পরিচালনা করতে হয় jilicom-কে। প্রতিটি উইথড্র রিকোয়েস্ট সময়মতো প্রক্রিয়া করা, প্রতিটি গ্রাহক অভিযোগের সমাধান করা — এই কাজগুলো রাত-দিন চলে। আমাদের ৫০+ জনের টিম ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন নিরলস কাজ করে যাতে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা সবসময় মসৃণ থাকে।